জন্মদিনে সুখবর! আইসিসির ‘হল অফ ফেম’-এ সৌরভ, দ্বাদশ ভারতীয় হিসাবে জায়গা, জয় শাহকে ধন্যবাদ দাদার
- indiasportsgroup
- Jul 10
- 2 min read

আইসিসির সম্মান পেলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার ‘হল অফ ফেম’-এ জায়গা করে নিলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক।
৫৪তম জন্মদিনে সুখবর পেলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পেলেন আইসিসির সম্মান। বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার ‘হল অফ ফেম’-এ জায়গা করে নিলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক। এই সম্মান পাওয়ার পর আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহকে ধন্যবাদ দিয়েছেন সৌরভ।
আইসিসি অবশ্য এখনও সরকারী ভাবে কিছু ঘোষণা করেনি। তার আগেই সমাজমাধ্যমে সেই খবর দিয়েছেন সৌরভ। তিনি লেখেন, “আমাকে আইসিসির হল অফ ফেমে জায়গা দেওয়ার জন্য আইসিসি ও চেয়ারম্যান জয় শাহকে ধন্যবাদ। এটা খুবই বড় সম্মান। হল অফ ফেমে ১০ পুরুষ ভারতীয় ক্রিকেটারের মধ্যে একজন হতে পারলাম। কত বড় বড় নামের পাশে জায়গা পেলাম।”
ক্রিকেটে অসাধারণ অবদানের জন্য এই সম্মান দিয়ে থাকে আইসিসি। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হয়েছে এই ‘হল অফ ফেম’। ভারতের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে এই তালিকায় জায়গা পেয়েছিলেন সুনীল গাওস্কর (২০০৯)। বাকিরা হলেন, বিষণ সিংহ বেদি (২০০৯), কপিল দেব (২০১০), অনিল কুম্বলে (২০১৫), রাহুল দ্রাবিড় (২০১৮), সচিন তেন্ডুলকর (২০১৯), বিনু মাঁকড় (২০২১), বীরেন্দ্র সহবাগ (২০২৩) ও মহেন্দ্র সিংহ ধোনি (২০২৫)। সেই তালিকায় ঢুকলেন সৌরভ (২০২৬)। তবে ১০ পুরুষ ক্রিকেটার ছাড়া দুই মহিলা ক্রিকেটারও এই জায়গা পেয়েছেন ‘হল অফ ফেম’-এ। তাঁরা হলেন ডায়ানা এডুলজি (২০২৩) ও নীতু ডেভিড (২০২৪)।
ধোনির আগে ভারতীয় ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ। ভারতকে ১৯৬ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। জিতেছেন ৯৭টি ম্যাচ। তাঁর অধিনায়কত্বেই ২০০১ সালে স্টিভ ওয়ের অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথম বার বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি জিতেছিল ভারত। ২০০৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের প্রথম টেস্ট সিরিজ় জয়ও সৌরভের আমলে। ভারতকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছেন সৌরভ। জিতিয়েছেন ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি। ২০০৩ সালে ভারতকে এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালেও তুলেছিলেন তিনি।
ভারতের জার্সি গায়ে মোট ৪২৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন সৌরভ। করেছেন ১৮,৫৭৫ রান। তার মধ্যে ১১৩ টেস্টে ৭২১২ রান ও ৩১১ এক দিনের ম্যাচে ১১,৩৬৩ রান করেছেন তিনি। ৩৮টি শতরান ও ১০৭টি অর্ধশতরান করেছেন সৌরভ। ভারতের ওপেনার হিসাবে তাঁর ও সচিনের জুটির আলোচনা এখনও হয়।
ক্রিকেট ছাড়ার পর প্রশাসক হিসাবেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। বাংলার ক্রিকেট সংস্থার সভাপতির পদ সামলেছেন। ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিও। সেই সময় বোর্ডের সচিব ছিলেন জয় শাহ। এখন আবার বাংলার ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি তিনি। তা ছাড়া আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট ও দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি লিগে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের কোচের ভূমিকাতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।




Comments