জানি মারাদোনা উপরে বসে হাসছেন, এই জয় ওঁকে উপহার দিলাম! ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে বললেন মেসি
- indiasportsgroup
- 9 hours ago
- 2 min read

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে লিয়োনেল মেসি জানালেন, এই জয় প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনাকে উৎসর্গ করেছেন তিনি।
দিয়েগো মারাদোনার পথেই হেঁটেছেন লিয়োনেল মেসি। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে মারাদোনার জোড়া গোলে হেরেছিল ইংল্যান্ড। এ বার মেসি জোড়া গোল করিয়েছেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মেসি জানালেন, এই জয় প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনাকে উৎসর্গ করেছেন তিনি।
খেলা শেষে মেসি বলেন, “আমি নিশ্চিত, দিয়েগো উপরে বসে হাসছেন। এই দিনটা ওঁর কাছেও বিশেষ দিন হয়ে রইল। ওঁকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি। এই জয় ওঁকে উপহার দিলাম।”
এ বারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনায় একমাত্র দল, যারা এখনও পর্যন্ত সব ম্যাচ জিতেছে। কিন্তু তার পরেও বার বার তাদের নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। ফিফা আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দিয়েছে, এই কথা শুনতে হয়েছে। সেমিফাইনালে পিছিয়ে থেকেও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছে আর্জেন্টিনা।
মেসি জানেন, এই ম্যাচ হারলে কী কী শুনতে হত তাঁদের। আপাতত সকলের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন তাঁরা। মেসি বলেন, “আর্জেন্টিনার মানুষের ধর্মটাই এই। আমরা সব সময় আরও বেশি চাই। আমাদের মন ভরে না। আমি জানি, এই ম্যাচে হারলে অনেকে বাজে কথা বলত। ওদের সুযোগই দিইনি। সকলের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি।”
বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই তার গুরুত্ব আলাদা। দু’দেশের সম্পর্কের কারণেই এই লড়াইয়ের সূত্রপাত। আর তাই এই লড়াইয়ে জেতার আনন্দও আলাদা। খেলা শেষে মেসি বলেন, “এটা বিশ্বকাপের আরও একটা ম্যাচ হলেও বাকি ম্যাচের থেকে আলাদা। সমর্থকেরা এই জয়টা চেয়েছিল। কারণ, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার মতো আনন্দ আর কিছুতে নেই। সেটা আমরা সমর্থকদের দিতে পেরেছি।”
মেসি-সহ পুরো আর্জেন্টিনা দল এই প্রথম বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলল। কিন্তু ১৯৬৬, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের লড়াইয়ের কথা তাঁদের জানা। ফকল্যান্ড যুদ্ধ তাঁদের স্মৃতিতে। তাই পিছিয়ে পড়ার পর যে লড়াইটা আর্জেন্টিনা করেছে তা ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।
মেসি জানিয়েছেন, এই ম্যাচে হারার উপায় ছিল না। তাঁদের জিততেই হত। সেটাই করেছেন তাঁরা। মেসি বলেন, “আর্জেন্টিনার কেউ এই ম্যাচটা হারতে চায়নি। এই হার হজম করতে পারতাম না। সেটা সকলেই জানে। তাই হয়তো আনন্দ কিছুটা বেশিই হচ্ছে। আমি জানি, গোটা আর্জেন্টিনা এখন আনন্দে লাফাচ্ছে।”




Comments